বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী ও বেটিং উৎসাহীদের কথা মাথায় রেখে karya kiya তৈরি হয়েছে। আমরা শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম নই – আমরা একটা পরিবার।
বছর কয়েক আগের কথা। ঢাকার একটা ছোট অফিসে কয়েকজন তরুণ মিলে ভাবছিলেন – বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট ভালোবাসে, কিন্তু অনলাইনে বেটিং করতে গেলে যেসব প্ল্যাটফর্ম পাওয় া যায় সেগুলো ইংরেজিতে, ইন্টারফেস জটিল, পেমেন্ট করতে ঝামেলা। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা কেউ ভাবছে না। সেই উপলব্ধি থেকেই জন্ম নিল karya kiya।
karya kiya-র পথচলা শুরু হয়েছিল একটাই লক্ষ্য নিয়ে – বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে বাংলায় কথা বলা যাবে, বিকাশ-নগদে টাকা দেওয়া যাবে, এবং দেশীয় খেলাধুলায় বেট রাখা যাবে অনায়াসে। সেই স্বপ্ন এখন বাস্তব। আজ বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় লক্ষাধিক মানুষ karya kiya ব্যবহার করেন প্রতিদিন।
আমরা বিশ্বাস করি, ভালো বেটিং অভিজ্ঞতা মানে শুধু বড় অডস বা বোনাস নয়। ভালো অভিজ্ঞতা মানে হলো – যখন দরকার তখন সাপোর্ট পাওয়া, লেনদেন নিরাপদ থাকা, আর নিজের মাতৃভাষায় সবকিছু বোঝা। karya kiya সেই তিনটি জিনিসই দেওয়ার চেষ্টা করে, প্রতিটি পদক্ষেপে।
karya kiya-র লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে দায়িত্বশীল ও বিনোদনমূলক অনলাইন বেটিং সংস্কৃতি গড়ে তোলা। আমরা চাই প্রতিটি ব্যবহারকারী নিরাপদ পরিবেশে, নিজের সুবিধামতো সময়ে এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ নিয়মকানুনের মধ্যে বেটিং উপভোগ করুক। মুনাফা নয়, মানুষের আস্থাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
বাজারে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে। কিন্তু karya kiya-কে যা আলাদা করে তা হলো – আমরা বাংলাদেশকে চিনি। আমরা জানি রাত ১টায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সময় সার্ভার ডাউন হওয়া কতটা হতাশাজনক। আমরা জানি গ্রামের ব্যবহারকারীর জন্য ইন্টারনেট স্পিড কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জানি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ বিদেশি প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায় না। এই সব সমস্যার সমাধান করেই karya kiya তৈরি হয়েছে।
"karya kiya শুধু একটা বেটিং সাইট নয়, এটা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের একটা নিজস্ব জায়গা।"
karya kiya দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে বেটিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি মাধ্যম, কোনো আর্থিক চাপের উৎস নয়। তাই আমরা প্ল্যাটফর্মে স্বয়ংক্রিয় বেটিং সীমা, কুলিং-অফ পিরিয়ড এবং স্ব-বিশ্লেষণ টুলস রেখেছি। যে কেউ চাইলে নিজেই তার বেটিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আমাদের সাপোর্ট টিম প্রশিক্ষিত যাতে কোনো ব্যবহারকারী আসক্তির দিকে যাচ্ছেন মনে হলে সময়মতো সহায়তা দিতে পারে।
ঢাকায় একটি ছোট দল নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম বেটা ভার্সন মাত্র ৫০০ ব্যবহারকারীকে দেওয়া হয়।
দেশীয় মোবাইল ব্যাংকিং ইন্টিগ্রেশনের পর ব্যবহারকারী সংখ্যা ১০ গুণ বেড়ে যায়।
Android ও iOS অ্যাপ একসাথে প্রকাশ। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে ২০০+ গেম যোগ হয়।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় সক্রিয় ব্যবহারকারী ছড়িয়ে পড়ে। BPL সম্পূর্ণ কভারেজ শুরু।
ক্র্যাশ গেমস, ভার্চুয়াল স্পোর্টস ও উন্নত লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু করা হয়।
karya kiya ২০২৬ সালে এশিয়া গেমিং অ্যাওয়ার্ডসে "Best Emerging Platform – South Asia" বিভাগে মনোনীত হয়েছিল।
যেসব কারণে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ karya kiya-কে বিশ্বাস করেন
মেনু থেকে শুরু করে লেনদেনের রসিদ পর্যন্ত সবকিছু বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও karya kiya ব্যবহারে কোনো অসুবিধা নেই। বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি শব্দ বেছে নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের ৯০% ব্যবহারকারী মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। karya kiya-র প্রতিটি পেজ, প্রতিটি বাটন মোবাইল স্ক্রিনের কথা ভেবে তৈরি। ৩G সংযোগেও দ্রুত লোড হয়।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই মাত্র ৳৫০ থেকে ডিপোজিট করুন। জিতলে ৩-৫ মিনিটের মধ্যে টাকা সরাসরি আপনার বিকাশ বা নগদে চলে যাবে।
রাত হোক বা দিন, ছুটির দিন হোক বা কাজের দিন – karya kiya-র সাপোর্ট টিম সবসময় প্রস্তুত। লাইভ চ্যাটে বাংলায় প্রশ্ন করলে মিনিটের মধ্যে উত্তর পাবেন।
আন্তর্জাতিক লাইসেন্স, SSL এনক্রিপশন, RNG সার্টিফিকেশন – karya kiya-তে কোনো কারচুপির সুযোগ নেই। প্রতিটি গেমের ফলাফল সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও যাচাইযোগ্য।
BPL, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ সহ সব দেশীয় টুর্নামেন্টের বেটিং karya kiya-তে পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে যা পাবেন না, তা এখানে পাবেন।
karya kiya পরিচালনার পেছনে যে মূল্যবোধগুলো কাজ করে
ব্যবহারকারীর আস্থাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। প্রতিটি সিদ্ধান্তে আমরা জিজ্ঞেস করি – এটা কি ব্যবহারকারীর জন্য ভালো?
নিয়মকানুন, ফি, বোনাসের শর্ত – সবকিছু স্পষ্টভাবে বাংলায় লেখা থাকে। কোনো লুকানো চার্জ বা ছোট হরফের ফাঁদ নেই।
বেটিং বিনোদনের জন্য, ক্ষতির জন্য নয়। আমরা ব্যবহারকারীদের সচেতন ও নিরাপদ রাখতে সক্রিয়ভাবে কাজ করি।
বাংলাদেশের বেটিং জগত দ্রুত বদলাচ্ছে। karya kiya সবসময় নতুন প্রযুক্তি ও ফিচার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে।
বিভিন্ন বিভাগের অভিজ্ঞ পেশাদারদের একটি উৎসাহী দল এই প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে
১০ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমে কাজ করার সুবাদে karya kiya-র পেমেন্ট সিস্টেম তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
BUET থেকে CSE পাস করা ইঞ্জিনিয়ার। মোবাইল-ফার্স্ট আর্কিটেকচার ও কম ব্যান্ডউইথে দ্রুত লোডিং নিশ্চিত করার কাজটা তার হাতেই।
ব্যবহারকারী গবেষণায় বিশেষজ্ঞ। ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত সরাসরি ব্যবহারকারীদের সাথে কথা বলে karya kiya-র ইন্টারফেস সাজিয়েছেন।
৫০ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। তার নেতৃত্বে karya kiya-র গড় রেসপন্স টাইম ২ মিনিটের নিচে নেমে এসেছে।
আমরা স্পষ্টভাবে বিশ্বাস করি – karya kiya-র কোনো ব্যবহারকারী যেন বেটিংয়ের কারণে আর্থিক বা মানসিক ক্ষতির মুখে না পড়েন। এটা শুধু কথার কথা নয়, আমরা সত্যিকারের পদক্ষেপ নিয়েছি।
প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করলেই ব্যবহারকারী নিজের দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক বেটিং সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন। একবার সীমা নির্ধারণ করলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি মেনে চলে – ব্যবহারকারী চাইলেও সঙ্গে সঙ্গে বাড়াতে পারবেন না। এই নিয়ম আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে কঠোর রেখেছি।
যদি কোনো ব্যবহারকারী মনে করেন তার একটু বিরতি দরকার, তিনি নিজেই ৭ দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখতে পারবেন। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্ন ছাড়াই করা যায়।
দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক বেটিং এবং ডিপোজিট সীমা নিজেই নির্ধারণ করুন।
যেকোনো সময় ৭ দিন থেকে ৬ মাসের জন্য অ্যাকাউন্ট বিরতিতে রাখুন – কোনো প্রশ্ন নেই।
আপনার জয়-পরাজয়ের সম্পূর্ণ ইতিহাস দেখুন এবং নিজের প্যাটার্ন বুঝুন।
বেটিং আসক্তি নিয়ে কোনো উদ্বেগ থাকলে আমাদের প্রশিক্ষিত সাপোর্ট টিম সবসময় পাশে আছে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন। মাত্র ২ মিনিটে নিবন্ধন করুন, বিকাশে ডিপোজিট করুন এবং আজই খেলা শুরু করুন।
১৮+ | দায়িত্বশীলভাবে খেলুন | karya kiya